ট্যাং এতে কথার উপমা, জমতে জমতে হয় ঠাসা,
কিভাবে ফুরাতে পারি, কোন উপায়ে বিয়োজন করি।
হাতের খড়ায় গুণি- সব উপমার লড়ি-
দুঃখ, সুর, অর্চনা, বঞ্চনা সবমিলিয়ে একরাশ উপমা!
তবে, আচার্য এক রেশ, থমকে গেলেই হয় উপমা বিযোজন।
ক্ষণিক পরে বদলে, জবাবের ভাষা, এটি নিহাত বিয়োজন।
অদ্ভুত এক কারণ কথার বিয়োজন হলেই আবার হয় যোজন।
নিতান্ত এক শব্দের যোগ বিযোগ-
কানা, বধির, সুধির সবার হয় এ বেগ,
কালে তালে চলে এ নীতি, বাজে কোণে মনে।
তলির ভিতর কথার মিতা চলে যুগে যুগে।
মনে ভাব করলে প্রকাশ আত্মার তুষ্টি বটে।
#আত্মচয়ণ
সাকিব খান রিকন
মহত্ত্বঃ উল্লেখিত কবিতা দ্বারা লেখক বোঝাতে চেষ্টা করছেন মানুষের ভাবভঙ্গিকে। কেননা সমাজে এমন একশ্রেণীর মানুষ আছে যারা তাদের জন্য প্রযোজ্য কথা গুলোও বলে আবার অপ্রযোজ্য বিষয় গুলো নিয়েও আলোচনা করে। এর মূলব্যাক্ত হচ্ছে মানুষ তার মনের ভাব আকাঙ্ক্ষা গুলো পূরণ করেই বেশি শান্তি পায়। কবিতায় লেখক মানুষের পেটকে কথার তলি বলেছেন। আরও বলেছেন কথার যোজন বিয়োজন হয়। যখন মানুষ কোনো কথা প্রকাশ করে পেলে তখন তার কথার বিয়োগ হয়। আবার নতুন কোনো কথার সামনাসামনি হলে তলিতে সাথে সাথে কথা যোগ হয়। এ রীতি অন্ধ, খোঁড়া সবার জন্য যুগ যুগ ধরে চলে যাচ্ছে।
Comments
Post a Comment