Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2023

আত্মদিশা_Atmadisah

 রোজ প্রভাতে তারার মেলা, নিশিতে গোধুলি, এইতো মধুমাসে বসে আকঁছি কবিতার মাধুলী।  বাইরে করছে মৌ মৌ মায়া ফুলের সারি ঘ্রাণে তার পরিবেশ হচ্ছে ভারি - আত্ম মন আজ উদাসী মেঘ এইতো সেই হচ্ছে, কাটছে মায়ার বেগ! আজ, নয় আর বসন্ত - হেমন্তকাল অন্তত  আজ যাব ঘূর্ণি যাত্রায়  গোধূলির রক্তিম ক্ষণে আখেরি মাত্রায়। উড়বো কালের তালে বাতাসে - বাতাসে সব গুলো ছন্দ ভাসিয়ে দিব নিমিষে।  নীল মেঘ গুলো কাকে ছুঁবে সব শেষে যখন থাকবে না কোনো ছন্দ কবিতার - লাগবে না কোনো আস্ফালন মন্দতার। আজ রবির আলো খুব ক্ষীণ, কি জানি দিন তো হলো কাভার শেষ সুনীল বাণী - বাণী- এই আমার আকুল বাণী  "বাঁচবে যতদিন করবে না ভ্রুক্ষেপ একদিন  চলবে এক টানে - ঝর্ণার মতো সবদিন নাই খোঁজুক কেউ কাহকে,  তবু  ভীতিহীন  মনে চলবে, গহীন থেকে গহীন  #আত্মচয়ণ

ইচ্ছে মন মাতাল_Ischa Mon Mahtal

  বেলীফুলের মৌসুমে, শুভ্রনীল আলোক কুসুমে রাতের ছবিটা এক স্বপ্নের দেশ- হারিয়ে যাওয়াই হয়- আত্মার প্রয়াস  গতকালও বৃষ্টি ছিল বটে,, আজ আর কোথাও ভিজে নেই - এটা কি ত্রাস!  বৃষ্টির জল নীল নয়,, তবু মমঃ মন আস্ফালন করে বেশ। নয় বর্ষা এখন ভবে,, কালো মেঘ তাতেই রটিয়ে করেছে শেষ! আলোরা বিমর্ষ কালোর নিচে,,  তাহলে দীবাকণ্যা কালোতে ঘুমিয়ে আছে।  অতঃপর ঝরে গেলো বেলী পুষ্প সব দেহ মন এভাবেই দিবে বিরত পায় অভয়।  #আত্মচয়ণ

অদৃশ্য রূপের প্রকাশ_Adissha Ruper Prokash

 মেঘলায় আছন্ন শেষ বিকেল,  বৃষ্টি ভেজা চারদিকে বহে বায়ু হিমেল পশ্চিমে মেঘ গুড় গুড় বৃষ্টিধারা- করছে হাকঁ! সাদায় ধুসর প্রান্তরে বাকঁ। সেই কোমল মূহুর্তে লেখার অধীর তাকঁ। কাটেনি রাতের কালো, বাইরে শ্যামল আধাঁর  কুহেলীকার অপূর্ব স্বরে কত প্রাণ মরে। অভিভূত মনে আগত বনবিবি, ওরে! গাইছে সে " বনবিবির মাথায় লাল রঙের বেণী-                   পরনে তার কৃষ্ণচূড়া ফুলের শাড়ি।  ঝর্ণার জল যেন মুখ দেখার আয়না- চেয়ে আছে অধীর পানে সুখের নয়না কোন সুখের চাহনি, আর সয়না  আজ ভরিয়ে দেব তোমার উপমা সর্বত্র পথে প্রান্তরে আকেঁ-বাকেঁ অনন্ত অনবরত রবে নিঃশ্বাসে-বিশ্বাসে কবিতার মতো ফুটবে আকাশে-বাতাসে একাকার হয়ে যাবে সকলের প্রকাশে। #আত্মচয়ণ

নিয়তির লেখা_Niyotir Likha

 অভাবনীয় সব ঘটে, যদিও চাই না বটে। হটাৎ সন্ধ্যায় কি হলো যেন স্বপ্ন সামনে এলো, নাই হয়ে যাওয়া সব আবার সামনে উঠছে রটে। মোটেই আমার বোধগম্য নয়, যখন এসব হয়- যা কিছু হবার ছিল তা হয়ে গেছে শেষ।  বন্ধত্ত্বের বিউগলের সুরে হই না বশ' নিয়তি দেখাবে নানা পাঠ তাই স্তম্ভিত হবে নিজ শপথ" চিনিতেও মাছি বসে তাই ব্যাধির হয় অবকাশ।  নিয়তির দোষ আছে তাই মাপের নাই রেশ বটবৃক্ষকে চির ধরে না তাই সে আকারে প্রকান্ড। কলা গাছে চির ধরে এজন্যই তার বন্ধু অখণ্ড - ছেড়ে গেছে স্নেহের সখী তাই তার যাওয়াটাই খুশি। নিয়তি নামক বই বিশাল বড়..... হাজারো নিয়তি আসবে যাবে, তাই একজন গেলে - আমার সুখের কিছু টলবে সব শেষ  #আত্মচয়ণ ~SHAKIB KHAN RIKON লেখকের প্রকাশ- কথিত আছে জীবন আর সহচর উভয় ওতোপ্রোতো ভাবেই জড়িয়ে আছে। এটা হতে পারে লোকমুখে প্রচলিত একটা বাক্য, কিন্তু আমি মনে করি একজন মানুষের বেচে থাকার মূল পরিচায়ক হচ্ছে তার স্বনির্ভরশীলতা। অন্যোর উপর নির্ভর থেকে কখনো কোনো মানুষ তার প্রকাশ বা প্রতিভা উপস্থাপন করতে পারে না। যেখানে মানুষ নিজে পরিশ্রম করে নিজের জন্য বাঁচে, সেখানে অন্যের জন্য চিন্তা করার সময় কোথায়। তাই লেখক এ প্রকাশের ...

নাক..

 গাছে যবে ফুটে ফুল  নাকের বুঝতে হবে না ভুল। সেই তো মস্তকের ধারে- বসিয়া ঘ্রান্দির কাম সারে। দেখিয়াছে ও নিবাসে পরবাসী  প্রমোদে তার নাচে প্রত্যঙ্গ সবি! আঁটে ফন্দি ক্যামনে লই বাটি, চাটতে হবে মিষ্টি কি খাঁটি।  নাসিকা আবার বড়ই কাতর- তাই বুঝতে লয় কম প্রহর। হয়না গলদ কুত্তা পচাঁ বাসেঁ' যবে হাঁটে সে নদ কূল ঘেঁষে। কুত্তার ঘ্রানদি থাকিলেও! খানার দুয়ারে সে বধির বটে! সেথায় রুক্ষ হইয়া উঠে - তাহার রসনা রস প্রষ্ট, খানার তাড়নায় খুন কুত্তা! যদি চলে নাক তার অগত্যা।   #আত্মচয়ণ

সবুজ দিন গুলো...

  সেই দিন গুলো আবার কি হয় না  যখন মূল্য ছিল আমার।  সবার আগে কদর ছিল বায়নার। চাওয়ার শেষ মিঠতো আবদার,  রঙিন দিবায় ছিল মধুর সমাহার,,  সব কিছু ছিল রঙের মনোহর।  প্রতি সূর্যদ্বয় ছিল নব আলোর বাহার  আঁধারেও ছিল আলোর বিরাজ।  অনায়সে স্থায়িত্ব হতো সব অরাজ। প্রকৃতি আমাকে ডাকে সেই দিনে' আবার, আছে কি বেলা যাওয়ার তরে! তবে ভাসিয়ে দাও বেলা যাব সেই নীড়ে আবার হারাবো শৈশবের সেই ভীড়ে ' -আত্মচরিত কবিতা সাকিব খান রিকন 

আত্মার আপন ভূষণ...

 ভূষণ, তোষণ, শোষণ  এর দ্বারা, আত্মার হয় শোষণ।  নভঃ উর্ধে ও অধেঃ এর বড়ই রোষন, আত্মার আপন ভূষণ জ্বলছে এখন। কোথাও নেই এক বিন্দু তুষ্টির আভাস,  কই পাই, আরো দাও, আরো খাই! খাদ্য খাই, টাকা খাই, সোনা খাই! খাই ইট, খায় বালু আর কংক্রিট।  পেট নয় বরং জয়ঢাক- বাটে, মাঠে চুষে খাই তাদের হাড়। নাই মই, আছে দৈন্যের কাঁধ- তা ভর দিয়ে উঠবো ছাঁদ।  দিনদুপুরে উতলে উঠে সুভূষণ, রাত্র ধরিলে ডুবে যায় মানবতার সুপান। চিতার..... আগুনে জ্বলছে,  মানবতার আপন ভূষণ।  #আত্মচয়ণ

সৌরভি, মায়ার এক জাল..

 অতি আপন তুমি রুশনি মেয়ে  কার বশে গেলে তুমি সাগরের নীল জলে, আগ্রাসী সাগর গিলে নিলো তারে - অতি নগন্য একটি ফুটবলের তরে। আধো খোলা ঘরে, কাঁদছে মা ছবি নিয়ে  রুশনি মেয়ে তুমি কী রুম্পার প্রতিচ্ছবি!  তাহলে কেনো মিল সে তোমার পরে। সৌরভির পরে শিউলি প্রেমী রুম্পা - দেখি, অহরহঃ হচ্ছে দুইয়ের মাঝে এক মিল।  সৌরভির ঘ্রাণ পায় মাতা, রুম্পার চুলে। রুশনি মেয়ে এক মায়ার জাল - তাইতো সৌরভি রম্পার মাঝে বিদ্যমান। #আত্মচয়ণ  সাকিব খান রিকন

একান্ত কবি মন

কবিতায় জীবন নহে, জীবন কবিতা বুনে' স্বপ্ন প্রাণী নহে' জীবন স্বপ্ন আনে। লেখা চলমান নয়- কলমই রচনা করে' মানব ভূয়সী নয় জীবন তাকে দান করে, আমি কবি নই- চারপাশ আপন চোখে দেখি! আর তাই কাগজে লিখি....... চয়নে আমার নাই শুদ্ধতা মাধুর্যতা; তাই বলিয়া করিনা নকল সকল। তবে শিখি অন্যের মতো অবিকল- আজীবন শিখব, এভাবে অনর্গল " এতো কিছু পরে আপন চয়ন কেন হয় নিষ্ফল! "লোকমুখে মাঝেমধ্যে বাজে- আমি নকল কবি.." যাকগে, আত্মকথনে কই আমি নিজে- শুনিয়া লও আমার নাই কোনো আস্ফালন ' আমি কি আদৌ শুনিবো তোমার বকন? -আত্মচয়ণ  সাকিব খান রিকন লেখকের মন্তব্যঃ "পাছে লোকে কিছু বলে" এটা সনেটের গুরু অমর বয়জৈষ্ঠ্য কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবিতার চরণ। এটা এজন্যই বলেছি, মানুষের চিন্তা মননশীলতার পরিমাণ কিন্তু এক নয়। কথায় আছে ভালো খারাপ মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। ভূমন্ডলে যতকাল ভালো থাকবে, ততকাল মন্দের বিচরণ থাকবে। আজ নিজ উদ্যাগে আমি কিছু করতে গেলেই, মুখব্যাঞ্চি আসবেই। এটা সুস্থ মস্তিকের অধীকর্তরাই একাজ করে, কোনো ব্যাধিগ্রস্থ মস্তিষ্ক কিন্তু অন্যের সাতেও থাকবে পাঁচেও থাকবে। আর সমাজের সুস্থ নিন্দুক আমার জন্য রটাতে...

যোজন বিয়োজন

 ট্যাং এতে কথার উপমা, জমতে জমতে হয় ঠাসা, কিভাবে ফুরাতে পারি, কোন উপায়ে বিয়োজন করি। হাতের খড়ায় গুণি- সব উপমার লড়ি- দুঃখ, সুর, অর্চনা, বঞ্চনা সবমিলিয়ে একরাশ উপমা! তবে, আচার্য এক রেশ, থমকে গেলেই হয় উপমা বিযোজন। ক্ষণিক পরে বদলে, জবাবের ভাষা, এটি নিহাত বিয়োজন।  অদ্ভুত এক কারণ কথার বিয়োজন হলেই আবার হয় যোজন। নিতান্ত এক শব্দের যোগ বিযোগ- কানা, বধির, সুধির সবার হয় এ বেগ, কালে তালে চলে এ নীতি, বাজে কোণে মনে। তলির ভিতর কথার মিতা চলে যুগে যুগে। মনে ভাব করলে প্রকাশ আত্মার তুষ্টি বটে। #আত্মচয়ণ সাকিব খান রিকন  মহত্ত্বঃ উল্লেখিত কবিতা দ্বারা লেখক বোঝাতে চেষ্টা করছেন মানুষের ভাবভঙ্গিকে। কেননা সমাজে এমন একশ্রেণীর মানুষ আছে যারা তাদের জন্য প্রযোজ্য কথা গুলোও বলে আবার অপ্রযোজ্য বিষয় গুলো নিয়েও আলোচনা করে। এর মূলব্যাক্ত হচ্ছে মানুষ তার মনের ভাব আকাঙ্ক্ষা গুলো পূরণ করেই বেশি শান্তি পায়। কবিতায় লেখক মানুষের পেটকে কথার তলি বলেছেন। আরও বলেছেন কথার যোজন বিয়োজন হয়। যখন মানুষ কোনো কথা প্রকাশ করে পেলে তখন তার কথার বিয়োগ হয়। আবার নতুন কোনো কথার সামনাসামনি হলে তলিতে সাথে সাথে কথা যোগ হয়। এ রীতি অন্ধ, খ...

অবয়ব_Abyab

  কী আছে অন্যের মোহে,               কেন নিজ নহে, কেন পিছুডাক, আমায় ডাকে- আর ঘোরে দাঁড়াবো না কারো ডাকে। আছি অটুট আমার নীতিতে,          গলিবো না কভু মায়ার তাপে! আগমনের পথে ঋতু রানি শুধু, পথ মাপে।                 আমি পড়বো না বসন্তের বাণী- আমি আজও জ্বলছি আগুন পাপে। কতই, জন আড়ালে লুকিয়ে আছে সুপ্ত পাপ        কীভাবে প্রায়শ্চিত্ত, আমি মুছবো পাপ, আর অভয় হয় না শূন্যতা বিষন্নতায় পড়ে আছি যন্ত্রণা, অব্যর্থ হীনতায়' গুছচ্ছে না রুক্ষতা, আছেই অবয়ব বক্রতা                          আসে নাই এ শহরে গোধুলি                                এটা মৃত্যুর শহরতলী '                          এখানে, আছে মৃত লাশ                       ...

প্রতিজ্ঞা_Protigga

 নীল অখিল জুড়ে উড়ছে না ঘুড়ি                   দোয়াশা গুলো করছে উড়াউড়ি। সীমানাহীন গগন যেন,                 সাজলো যেন-তেন  বাচ্চা গুলো উড়িয়ে দিলো  ধানে কুড়ো কূলো কূলো। কাঁঠালের তলা হতো- আনন্দের ছাতার মতো দুঃখ গুলো কী বাড়তো এতো! হৃদ গহীনে যন্ত্রণা গুলো, গলবেনা কভু                 - কী হবে কল্পনায় রয়োও তবু                 মন তো অবুঝ শিশুর মতো                তাই তো সে বুঝবে না মন্যতা যত।                দীঘল কালো, তোমার কেশ               মিটবে না ছোঁয়ার গন্ধময় রেশ!! নিমিষ জড়ো ফুলে, তরুণীরা খেলছে নদীর কূলে কী হবে যদি সেথায় তুমি মিশে যাও  আমি তবুও খোঁজে নিব যদি তুমি চাও, যদিও আজ আমি বড়ই ক্লান্ত  তবুও তোমায় খোঁজবো আপ্রাণ অক্লান্ত!   আত্মচরিত কবিতা

ক্লান্ত..

 নীল অখিল জুড়ে উড়ছে না ঘুড়ি                   দোয়াশা গুলো করছে উড়াউড়ি। সীমানাহীন গগন যেন,                 সাজলো যেন-তেন  বাচ্চা গুলো উড়িয়ে দিলো  ধানে কুড়ো কূলো কূলো। কাঁঠালের তলা হতো- আনন্দের ছাতার মতো দুঃখ গুলো কী বাড়তো এতো! হৃদ গহীনে যন্ত্রণা গুলো, গলবেনা কভু                 - কী হবে কল্পনায় রয়োও তবু                 মন তো অবুঝ শিশুর মতো                তাই তো সে বুঝবে না মন্যতা যত।                দীঘল কালো, তোমার কেশ               মিটবে না ছোঁয়ার গন্ধময় রেশ!! নিমিষ জড়ো ফুলে, তরুণীরা খেলছে নদীর কূলে কী হবে যদি সেথায় তুমি মিশে যাও  আমি তবুও খোঁজে নিব যদি তুমি চাও, যদিও আজ আমি বড়ই ক্লান্ত  তবুও তোমায় খোঁজবো আপ্রাণ অক্লান্ত!   -আত্মচরিত পদ্য

হোক না সুন্দর ভুবন

 জাগ্রত হোক আর্দশ আত্মা           যেন খোঁজতে না হয় মহত্ত্ব।  সর্বত্র বিরাজমান হোক মনুষ্যত্ব  আসুক নব ঊষার আলো হোক দাসের ভালো,  ফুরিয়ে যাক কালো। হোক না সুন্দর ভুবন,,  পোক্ত হোক নব জাগরণ  স্নেহময় হোক আমরণ। সুখের হোক আহ্বান!  নীতি কাব্য হোক বিনির্মান! উবে যাক ঘৃণা  অদৃশ্য হোক বঞ্চনা!  হোক না সুন্দর ভুবন,,  নিয়তি হোক শুভণ উদয় হোক লাল সূর্য  হিংসা হোক উহ্য প্রেরণা হোক শান্তির বাণীর। পরিত্রাণ হোক নির্মম কাহিনির।  হবেই সুন্দর ভুবন!!  #আত্মচয়ণ  সাকিব খান রিকন 

বৃষ্টির কথা গুলো

 মধ্যরাতে ঘুমের ঘোরে, টিনের চালে বৃষ্টি ঝরে। নৃত্যে তালে তালে- মৌরি বনে ছন্দ তোলে, রঙ্গন গাছের শাখা দোলে, বৃষ্টি আবার কি বলে! চাতক পাখি খুব খুশি, উড়বে এবার অনেক বেশী। মেঘ আরো কালো হচ্ছে, বায়ু আরো ঘন হচ্ছে " ললনা চায় শুধু ভিজুক নূপুর- তার পা পানির উপর। খেয়ারা ঝিমু ঝিমু -মাল্লা মাঝি এসে থামো,, হাঁস গুলো নুয়ে এলো- জলে জলে ভেসে বেড়ালো, ছোট্ট শিশু পা বাড়ালো- মা তাই রুখে দিলো। মেঘের আড়ালে শব্দ করছে গুড়ুম গুড়ুম- এমনি বৃষ্টি হলে আকুল মন বলে, সুরে সুরে!  "আয় বৃষ্টি ঝেঁপে, ধান দিবো মেপে - যা বৃষ্টি ঝরে যা- লেবুর পাতায় গরম চা"। #আত্মচয়ণ সাকিব খান রিকন