বাংলাদেশে #IndiaOut #BoycottIndia ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকে ইউটিউবে পিনাকী ভট্টাচার্যের ভিডিও দেখছি, তার কনটেন্ট গুলো দেখে বোঝতে পেরেছি, বাংলাদেশ ভূরাজনৈতিক তালিকায় স্থান পেয়ে গেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ বঙ্গকে দেখছে অনেক রক্তচক্ষু।
কেউ চায় বাংলাদেশকে ব্যবহার করে ফায়দা হাসিল করতে, আবার কেউ এ দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে। এছাড়া তো আছেই দেশের অভ্যন্তরীন নানা ইস্যু।
মূল কথায় আসার আগে বলতে চাই, বাংলাদেশের ভারত খেদাও নীতি সফল হওয়া সময়ের তারতম্য মাত্র। কিন্তু এর সূত্র ধরে তৈরি হচ্ছে নানা জটলা। অনেকদিন আগে থেকেই ইউটিউবে #Eagleeyes নামের একটা চ্যানেলের কন্টেন্ট দেখতাম। তার বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে ব্যাখ্যা মূলক ভিডিও ভালো আমার ব্যক্তিগত ভাবে ভালো লাগতো অনেক ভিউ হতো। ইউটিউবে তার প্রায় ১মিলিয়নেরও বেশি সাবক্রাইবার আছে এখনো। সময়োপযোগী ভালো মানের কন্টেন্ট বানালে সবাই পছন্দ করবে এটা স্বাভাবিক, নির্বাচনের দিন বাংলাদেশের যমুনা টেলিভিশনের ঘটানো বিরল আবহ, আজ তাদেরকে বিশ্বের প্রথম কাতারে নিয়ে দাঁড় করিয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে চলা বয়কট কর্মসূচিকে ঘিরে #eagleyes নামের ওই ইউটিউব থেকেও একটা বিশ্লেষণ মূলক ভিডিও প্রকাশ করা হয় ভিডিও জুড়ে ভারতের বাংলাদেশে অধিপত্যে বিস্তার নিয়ে লম্বা ব্যাখ্যা ছিল। সুন্দর আলোচনা করা হইছে পুরা ভিডিও জুড়ে, প্যাঁচ লাগছে ভিডিওটা মাঝখান বরাবর, তার যুক্তি মতে, বাংলাদেশের এ বয়কট কর্মসূচি ভারতের মতো বিশাল দেশের অর্থনীতি কোনোভাবেই টলাতে পারবে। কারণ ভারত আয়তনে বিশাল বড় রাষ্ট্র, এটা ঠিক। তাই তার প্রবৃদ্ধি অর্জনের অনেক খাত রয়েছে। সারা বছরে ভারত নাকি বাংলাদেশে মাত্র ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা করে, আর পুরা পৃথিবী জুড়ে ভারতের ব্যবসা আছে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের। এতো বড় রপ্তানিকারী দেশের মাত্র ১৬ বিলিয়ন ডলার কোন প্রভাবই ফেলতে পারবে না। তাছাড়া বাংলাদেশের পরতে পরতে যেভাবে ভারতীয় পন্য ঢুকে গেছে এটা আর কোনোভাবে তাড়াতে সম্ভব নয়, আর এভাবে যদি বয়কট কর্মসূচি চালানো হয় তাহলে সবার আগে দেশের নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষের পেটে লাথি মারা হবে। তার ল্যাস্পেনসারির মানে হচ্ছে আমাদের ভারতীয় পণ্য বয়কট বর্জন করে,
*Security Trade
*Economic domination
*Cultural destruction- এর মতো অসাধ্য গুলোকে বয়কট করতাম! কেন এগুলো অসাধ্য বলছি, আচ্ছা ব্যবসায়িক নিরাপত্তা আচ্ছা সরকারের পৃথিবীতে অনেক দেশের সাথে লক্ষ কোটি টাকার ব্যবসায় করছে। আর এ ব্যবসায় নীতির চাবি সম্পূর্ণ সরকারের হাতে, দেশের সাধারণ মানুষ চাইলে এটা বয়কট করতে পারে? তারপর অর্থনৈতিক আধিপত্য, বাংলাদেশের অর্থনীতির সকল স্তরে আজকে ইন্ডিয়ার হাত আছে, বাংলাদেশের বাজারে ১০ লাখ ভারতীয় অবাদে কাজ করেছে, এরা প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা ভারতে নিয়ে যাচ্ছে। এগুলোর কোনো হিসাব হচ্ছে না। বা সরকার এদের ছাটাইও করছে না। দেশের সাধারণ মানুষ কি কোন মতে এতো সংখ্যক অবাংলাদেশীকে বিতাড়িত করতে পারে? হ্যা সম্ভব যদি মন্ত্রী পর্যায়ের হস্তক্ষেপ থাকে, যদিও দাদাদের সাথে সরকারের সম্পর্ক অতি আন্তরিক। বাকি আছে সাংস্কৃতিক ধ্বংস, ধরেন আমাদের বাড়িতে আমরা কেউ ভারতীয় নাটক , সিনেমা গুলো দেখছি না। এতেও কি তাদের সাংস্কৃতিকহীন সিনেমা গুলো বন্ধ হবে? যদি এখানে মন্ত্রণালয়ের চাপ না থাকে, আর চাপ নেই বলেই ভারতের মার্কেট আউট হয়ে যাওয়া স্টার জলসার বা সেরকম নাটক গুলো বাংলাদেশে চালিয়ে প্রতিবছর তারা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা! অথচ ওই সমস্ত টিভি সিরিয়াল গুলো ভারতের মানুষ আঁত চোখেও দেখে না। সেই নাটক গুলোই বাংলাদেশের বাজারে সয়লাব হয়ে আছে। আর বাংলাদেশের কি সংখ্যক মানুষ ভারতের পক্ষে থাকবে। সুতরাং তারা বয়কটের ডাক মানতে পারবে না। এছাড়া সরকার সামরিক বাহিনীর রেশনের জন্য যেই খাদ্য পণ্য আমদানি করে সেগুলো আমাদের বয়কট করা সম্ভব নয়। এখন উপরোক্ত কথা গুলো মিলিয়ে দেখেন, এগুলো কি কোনোভাবে আমরা সাধারণ মানুষের হাতে আছে? এখন এটা পরিষ্কার এগুলো শুদ্ধস্বরের একপ্রকারের ল্যাস্পেনসারি! এছাড়াও বাংলাদেশ অনেক অনলাইনে ভারতীয় পণ্য বিক্রেতা এ বর্জন থেকে বিরত আছে, ধম্ভভরে তারা বলছে, "আজকো যদি ভারত পিঁয়াজ বন্ধ করে দেয় কালকে হাহাকার শুরু হয়ে যাবে, অনেকে আবার ভারতীয় চিকিৎসা, তূলা, সুতা, কাচামালের প্রশ্ন তুলছে, তাদের জন্য উত্তর হচ্ছে এগুলোর বিকল্প আছে। ভারত সারা পৃথিবীতে একেবারে স্বয়ংসম্পূর্ণও নয়! সুতরাং চেষ্টা করলে সবকিছু সম্ভব। আর একটা কথা, আমার প্রিয় বন্ধুরা, আমরা যারা বয়কটের ডাকে সাড়া দিয়ছি, শুনা যাচ্ছে ভারতের ডাক্তাররা আর পর্যটন স্পটের হোটেল মালিকরা বসে বসে মাছি মারছে! যার ফলপ্রসূ Visa on arrival process in Bangladesh to India কার্যক্রম চালু করছে। কিছু আগেও সেই ইন্ডিয়ানরা বাংলাদেশের মানুষদের নানা ভাবে ছোট করেছে, এখম তারা বোঝতে বাংলাদেশ কতটুকু তাদের প্রয়োজন। বন্ধুরা অবস্থার পরিবর্তন হওয়ার মাত্র শুরু আমাদের শুধু #BOYCOTT কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে। আমরা আমাদের টাকা দিয়ে কিনছি, এতে কোন ল্যাস্পেনসর কি বলছে কিছু যায় আসে না।
আমাদের কর্মসূচি সফল হতে মাত্র কিছু সময় বাকি।
Eagle eye'র সেই ল্যাশকেশ বিহীন ভিডিওটা- Eagleyes cames as a Indian lespenser.
Thanks Everyone's Stay Me.
#IndiaOut programme will successful as soon as.
#BoycottIndianproducts #IndiaOut
Comments
Post a Comment